সাহরী খাওয়া সন্নাত

হোছাইন আহমাদ আযমী : সাহরী খাওয়া সন্নাত। যদিও ক্ষুধা না থাকে অন্তত এক দুইটি খোরমা বা অন্য কোন খাদ্যদ্রব্য খাবে। কিছু না হলেও কমপক্ষে একটু পানি পান করবে। তাতেও সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। সাহরী যথা সম্ভব বিলম্ব করে খাওয়া উত্তম। আগে খাওয়া হয়ে গেলেও শেষ সময় পর্যন্ত কিছু চা পানি ইত্যাদি পান করতে থাকলেও উক্ত ফজিলত অর্জিত হবে। যদি শেষরাতে ঘুম না ভাঙার কারনে সাহরী খেতে না পারে তবুও রোযা রাখতে হবে। সাহরী খেতে না পারায় রোযা ছেড়ে দেয়া কাপুরুষতার পরিচয় ও অত্যন্ত পাপের কাজ।

সাহরীর সময় আছে না নেই এ বিষয়ে সন্দেহ হলে না খাওয়া উত্তম। খেলে রোযা কাযা করা ভাল। আর যদি পরে নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে তখন সাহরীর সময় ছিলনা, তাহলে রোযা হবেনা। তবে সারাদিন রোজাদারের ন্যায় পানাহার মুক্ত থাকতে হবে। এবং রমযানের পর ঐ দিনের কাযা আদায় করতে হবে।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং এবং ফেরেশতারা সাহরী করনে ওয়লাদের প্রতি রহমত বর্ষণ করে থাকেন। (তাবারানী ফিল আওসাত, সহীহ ইবনে হিব্বান)

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোযা-৭
[অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিস্ময়ঃ] প্রফেসর মুর পান্ড দিল অক্সফোর্ড ইউভার্সিটির পরিচিত নাম। তিনি তার আত্নজীবনীতে লিখেন, আমি বহু ইসলামি বইপত্র অধ্যয়ন করেছি। যখন রোযার অধ্যায় পৌছলাম, তখন আমি বিধি বিস্মিত হলাম যে, ইসলাম তার অনুসারীদেরকে এক মহৎ ফর্মূলা শিক্ষা দিয়েছে। ইসলাম তার অনুসারীদেরকে এক মহৎ র্ফমূলা শিক্ষা দিয়েছে। ইসলাম যদি শুধু রোযার ফর্মূলাই শিক্ষা দিত, তাহলেও এর চেয়ে উত্তম আর কোন নেয়ামত তাদের জন্য হত না। আমি একবার চিন্তা করলাম, ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখা উচিত। সুতরাং আমি মুসলমানদের পদ্ধতিতে রোযা রাখা শুরু করে দিলাম। আমি দীর্ঘদিন যাবত পেটের ফোলা (Stomach Inflammation) রোগে আক্রান্ত ছিলাম। অল্পদিন পরেই অনুভব করলাম। এভাবে চলতে থাকলে দেখতে পেলাম, আমার শরীর স্বাভাবিক হয়ে গেছে এবং দীর্ঘ একমাস পর শরীর এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 − ten =