‘দেশীয় ডিভাইসেই ৫জি’

নিউজ ডেস্ক : ৫জি সমর্থনযোগ্য হ্যান্ডসেট ডিভাইস দেশেই তৈরি করার জন্য নীতিগত সব সমর্থন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

দেশি ডিভাইস দিয়ে ৫জি সেবা দিলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো চাপে পড়ে এদেশে তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি স্থাপন করবে বলেও মনে করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৮ মে) বিকেলে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন পলক।

ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক এবং টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাসের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে নোকিয়া, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ওয়াং শিউ জেরি এবং নোকিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক রিজিউনের গর্ভনমেন্ট রিলেশন বিভাগের প্রধান গিয়ম মাসকট প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান দু’টি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, দেখলাম, তারা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছে। আমরা ৫জি আমদানি করতে চাই না। এখানে ৫জি এনাবল মোবাইল সেট উৎপাদন করুক।

হুয়াওয়ে কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য করে আইসিটি তিনি বলেন, প্রেজেন্টেশনে হুয়াওয়ে তাদের অনেক সাফল্য বললো। কিন্তু বাংলাদেশে হুয়াওয়ে তাদের এতো মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের বিজনেস করছে, তাদের ছোট আরএনডি সেন্টার কি বাংলাদেশে করতে পারে না? বাংলাদেশে কি করবে তারা, তারা শুধু ব্যবসা করে নিয়ে চলে যাবে?

‘স্যামসাংয়ের চেয়ে বেশি মার্কেট শেয়ার হুয়াওয়ের। তাদের টেলিকমিউনেকশন নেটওয়ার্ক ইক্যুপমেন্ট, হ্যান্ডসেটসহ অন্যান্য প্রজেক্ট আছে। স্যামসাং যদি এখানে আরএনডি সেন্টার করে, সেখানে যদি ৫০০ ইঞ্জিনিয়ার কাজ করতে পারে সাফল্যের সঙ্গে; তাহলে হুয়াওয়ে কেন বাংলাদেশে আরএনডি সেন্টার স্থাপন করবে না? শুধু প্রেজেন্টেশন দিয়ে বড় বড় কথা বললে হবে না! বাংলাদেশে কন্ট্রিবিউট করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মোবাইল হ্যান্ডসেটসহ দেশীয় ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে ৫জি সমর্থনযোগ্য হ্যান্ডসেট বানাবে, এজন্য যতো পলিসি সাপোর্ট আমরা দেবো। বিদেশি কোম্পানিগুলোর উপর প্রেসার পড়ে তারা যাতে বাধ্য হয়ে আরএনডি সেন্টার এবং ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট এখানে স্থাপন করে।’

প্রযুক্তি-দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নিয়ে পলক বলেন, পদ্মাসেতু পার হয়ে ডান পাশে ৭০ একর জায়গায় ‘শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট ফর ফ্রন্টিটেয়ার টেকনোলজি’ স্থাপন করবো; যেখানে আগামী দিনে যারা ভবিষৎ বিশ্বের প্রযুক্তির নেতৃত্ব দেবে, তারা সেখান থেকে তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × four =

SinglePostBottom